সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
পরিশ্রমই সৌভাগ্যের প্রসূতি নয়। 
*********************************************************************************



কি চিন্তা করছেন, পৃথিবীর বিক্ষাত মানুষগুলোর দিন ৪৮ ঘন্টা বা তার একটু কম ছিল। না আপনাদের মতো তাদেরও দিনে সময় ২৪ ঘণ্টাই ছিল। তাহলে তারা আপনার সমান সময় ব্যয় করে বিক্ষাত হলো কি করে। তার কারন হচ্ছে তাদের ইউনিক চিন্তা, পরিশ্রম এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া। শুধু পরিশ্রম করলেই কেউ বিক্ষাত হয় না। যদি তাই হতো তাহলে মাটি কাটা শ্রমিক এবং ইটের ভাটাই কাজ করা মানুষ গুলোই পৃথিবীর বিক্ষাত এবং সাক্সেসফুল মানুষ হতো। যদিবলেন ভাগ্যে নেই। তাহলে আপনার থেকে বোকা মানুষ আর দ্বিতীয়টি নেই। কারন ভাগ্য আপনার ডিসিশন নিয়ে দেবে না। বা আপনার কাজ করে দিবে না। আপনার কাজ আপনাকেই করতে হবে। আপনি একটা ডিসিশন নিলেন কিন্তু দেখলেন আপনি সাক্সেস হয়তে পারছেন না তাই ঐই কাজটা বাদ দিয়ে দিলেন। তাহলে আপনি কোনো দিনই সাক্সেস হয়তে পারবেন না। লাইফে ঝুকি নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে আপনাকে ঝুকি নিতেই হবে। পৃতিবীর সব কিছু করেই কেউ না কেউ বিক্ষাত হয়ছে। আপনি ইউনিক কি করতে পারেন সেইটা খুজে বের করে ডিসিশন নিন। ভাবছেন পৃথিবীর কেউতো এই কাজ করে না তাহলে আপনি পারবেন কি করে। আসলে সব কিছুরই তো শুরু করতে হয়। কেউ না কেউ তো শুরু করবে। সেই শুরু করা ব্যক্তি আপনি হয়লে ক্ষতি কি। আজ আপনি যেই ফেসবুকে এই কথাটা পড়ছেন ২০ বছর আগে কিন্তু এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না। একজন নতুন করেই শুরু করে।
তাই আপনি যে কাজটাই শুরু করেন না কেন পরিবেশের সাথে তাল মিলিয়ে যে কোনো কাজ করে যান আপনার সাক্সেস আপনার হাতে আসতে বাদ্ধ। হয়তো আপনি ব্রান্ড হয়তে পারবেন না। কিন্তু সাক্সেস আসতে বাদ্ধ। এই জন্য আপনাকে শুরু নিজের ডিসিশন নিজে নিয়ে সৎ পরিশ্রম করতে হবে। তাহলে দেখবেন মানুষ ভাগ্যের কথা বলা বন্ধ করে দিবে। ভাগ্যটা কপালে না আপনার কর্মের মধ্যে থাকে।।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আপনি কি সুযোগের অভাবে চরিত্রবান..???? ********************************************************************************************* https://www.facebook.com/ronirchirkut/ আমার একটা বন্ধু স্কুলে আসতো তার মায়ের সাথে | স্কুলের সময় স্কুল থেকে কোনো ভাবেই বাইরে যাওয়া যায়তো না। এবং স্কুল ছুটির আগেই ওর মা স্কুলের গেটে এসে বসে থাকতো। তাই ক্লাস শেষ হয়লে তাকে বাসায় ফিরতে হতো। সে অনেক ভদ্র এবং শান্ত ছিল। তার পর সে স্কুল থেকে যখন কলেজে ভর্তি হয় তখন তার মা ভাবলো তার ছেলে তো অনেক শান্ত এবং সৎ। তাই আর তাকে নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। সে কোনো খারাপ কাজ করবে না। তাই তার মা তাকে কলেজে একা পাঠালো।  তার পারিবারিক অবস্থা ভাল হওয়ায় তাকে যথেষ্ট পরিমান হাত খরচ দেওয়া হতো কিন্তু তার ছেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই ইয়াবা আসক্ত হয়ে গেল। তার মানে ছেলেটা আগে ভাল ছিল এখন খারাপ হয়ে গেছে, না তা অবশ্যই না। আমার অনেক বন্ধু ছিল যারা স্কুল জীবন থেকেই ঐই অবস্থায় ছিল। তার মানে তারা সেই সময়ই তাদের সুযোগটা পেয়েছে। আবার অনেক বন্ধু আছে যারা স্কুল কলেজ ভার্সিটি পার করে দিছে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা নিয়ে এবং তা...
নিজেকে উদার ভাবেন,সততা দিয়ে কাজ করেন,  দেখবেন জীবনে কখনো নিস্য হবেন না !! আর কিছু থাকুক আর না থাকুক  আত্মতৃপ্তি থাকবে !! যেমনটা আমি আত্মতৃপ্ত, বিবেক দংশন করেনা, এই সুযোগ কখনো দিইনা !!