সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
কেউ আপনাকে মনে রাখলো না এটা আপনার নিজের ব্যর্থতা, কারন
আপনি এমন কিছুই করতে পারেন নি যে আপনাকে মনে রাখতেই হবে।


আজ আমরা সবাই জানি Biology, Zoology, Political Science etc এর জনক এরিস্টটল। কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার দাদার বাবা বা তার বাবার নাম কি? মনে হয়না জানেন। কারন তারা মনে রাখার মতো কিছুই করতে পারিনি। তারা ১০০ বছর আগের হলেও আমরা মনে রাখিনি কিন্তু ২৫০০ বছর আগের এরিস্টটল কে সবাই মনে রেখেছি শুধু মাত্র তার কাজের জন্যই। কিন্তু তার বাবা বা ছেলের নাম কিন্তু জানি না। এর কারন ও একটাই।।


সুতরাং জীবনে কেউ আপনাকে মনে রাখবে কিনা সেইটা সম্পূর্ণ আপনার এবং আপনার কাজের উপরই নির্ভর করছে। তাই এমন কিছু করুন যেন মানুষ আপনাকে মনে করতে বাধ্য থাকে।।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পরিশ্রমই সৌভাগ্যের প্রসূতি নয়।  ********************************************************************************* কি চিন্তা করছেন, পৃথিবীর বিক্ষাত মানুষগুলোর দিন ৪৮ ঘন্টা বা তার একটু কম ছিল। না আপনাদের মতো তাদেরও দিনে সময় ২৪ ঘণ্টাই ছিল। তাহলে তারা আপনার সমান সময় ব্যয় করে বিক্ষাত হলো কি করে। তার কারন হচ্ছে তাদের ইউনিক চিন্তা, পরিশ্রম এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া। শুধু পরিশ্রম করলেই কেউ বিক্ষাত হয় না। যদি তাই হতো তাহলে মাটি কাটা শ্রমিক এবং ইটের ভাটাই কাজ করা মানুষ গুলোই পৃথিবীর বিক্ষাত এবং সাক্সেসফুল মানুষ হতো। যদি বলেন ভাগ্যে নেই। তাহলে আপনার থেকে বোকা মানুষ আর দ্বিতীয়টি নেই। কারন ভাগ্য আপনার ডিসিশন নিয়ে দেবে না। বা আপনার কাজ করে দিবে না। আপনার কাজ আপনাকেই করতে হবে। আপনি একটা ডিসিশন নিলেন কিন্তু দেখলেন আপনি সাক্সেস হয়তে পারছেন না তাই ঐই কাজটা বাদ দিয়ে দিলেন। তাহলে আপনি কোনো দিনই সাক্সেস হয়তে পারবেন না। লাইফে ঝুকি নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে আপনাকে ঝুকি নিতেই হবে। পৃতিবীর সব কিছু করেই কেউ না কেউ বিক্ষাত হয়ছে। আপনি ইউনিক কি করতে পারেন সেইটা খুজে বের করে ডিসিশন নিন। ভাবছেন পৃথিবী...
আপনি কি সুযোগের অভাবে চরিত্রবান..???? ********************************************************************************************* https://www.facebook.com/ronirchirkut/ আমার একটা বন্ধু স্কুলে আসতো তার মায়ের সাথে | স্কুলের সময় স্কুল থেকে কোনো ভাবেই বাইরে যাওয়া যায়তো না। এবং স্কুল ছুটির আগেই ওর মা স্কুলের গেটে এসে বসে থাকতো। তাই ক্লাস শেষ হয়লে তাকে বাসায় ফিরতে হতো। সে অনেক ভদ্র এবং শান্ত ছিল। তার পর সে স্কুল থেকে যখন কলেজে ভর্তি হয় তখন তার মা ভাবলো তার ছেলে তো অনেক শান্ত এবং সৎ। তাই আর তাকে নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। সে কোনো খারাপ কাজ করবে না। তাই তার মা তাকে কলেজে একা পাঠালো।  তার পারিবারিক অবস্থা ভাল হওয়ায় তাকে যথেষ্ট পরিমান হাত খরচ দেওয়া হতো কিন্তু তার ছেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই ইয়াবা আসক্ত হয়ে গেল। তার মানে ছেলেটা আগে ভাল ছিল এখন খারাপ হয়ে গেছে, না তা অবশ্যই না। আমার অনেক বন্ধু ছিল যারা স্কুল জীবন থেকেই ঐই অবস্থায় ছিল। তার মানে তারা সেই সময়ই তাদের সুযোগটা পেয়েছে। আবার অনেক বন্ধু আছে যারা স্কুল কলেজ ভার্সিটি পার করে দিছে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা নিয়ে এবং তা...
নিজেকে উদার ভাবেন,সততা দিয়ে কাজ করেন,  দেখবেন জীবনে কখনো নিস্য হবেন না !! আর কিছু থাকুক আর না থাকুক  আত্মতৃপ্তি থাকবে !! যেমনটা আমি আত্মতৃপ্ত, বিবেক দংশন করেনা, এই সুযোগ কখনো দিইনা !!