সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ফোকাস/ লক্ষ্য
************************

https://www.facebook.com/ronirchirkut/



আমরা সবাই জানি একটা সিংহের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৮০ কিলো/ঘন্টা। আর একটা হরিণের ৮৫ কিলো/ঘণ্টা। এখানে প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে সিংহ হরিণ শিকার করে কিভাবে। সিংহ কিন্তু সব সময়ই দূর থেকে লক্ষ্য স্থির করে তারপর আক্রমণ করে। একটা হরিণ যদি ১০ মিটার দূরে থাকা অবস্থায়ও সিংহের অবস্থান টের পায় তাহলে কিন্তু সিংহের হাত থেকে হরিণের বেচে যাওয়ার কথা। কিন্তু প্রায় সব ক্ষেত্রেই হরিণ সিংহের শিকার হয়। কারন কি জানেন, কারন হরিণ দ্রৌড় শুরু করার পর একটু পর পর পিছনে সিংহের অবস্থান দেখার জন্য পিছনে তাকায়। এতে তার নিজের গতিই কমে যায়। কিন্তু সিংহ লক্ষ্য স্থির রেখে সামনে দিকে আগায়তে থাকে। তাই সিংহের গতির হ্রাস হয় না। এভাবেই কিন্তু সিংহ কম গতি সম্পন্ন হয়েও বেশি গতির হরিণকে শিকার করে।



আপনার ক্ষেত্রেও কিন্তু ঠিক তাই, আপনিও যদি আপনার চলার পথে অন্য কারো অবস্থান দেখতে পিছনে তাকান তাহলে কিন্তু আপনার গতিবেগ কমে যাবে এবং আপনার পিছনের মানুষ গুলো আপনাকে টপকে যাবে।
আমার একটা স্যার বলতো, আপনি যদি কোনো প্রতিযোগিতা জিততে চান তাহলে হয় আপনাকে জোরে চালায়তে হবে। না হয় অন্য প্রতিযোগী দের থেকে আগে শুরু করতে হবে।

আপনি মনে করেন কোনো দ্রৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেন। সেখানে একই ট্রাকে অনেকে একসাথে দৌড়াবেন। আপনার অবস্থান ৩য়, সেক্ষেত্রে আপনার ফোকাস হওয়া উচিত ১ম হওয়ার। তাই ৫ম বা ৬ষ্ঠ অবস্থানের ব্যক্তি আপনার থেকে কত পিছনে তা জানা আপনার কাজ না বা কোনো প্রয়োজন ও নাই । আপনার ফোকাস আগের দুইজনকে টোপকানো। তাই পিছনে দেখে আপনার নিজের গতি কমানোর কোনো মানে হয় না। কারন আপনার পিছনের ব্যক্তি গুলোও কিন্তু আপনাকে টপকাতে চায়। তাই হরিণের মতো বেশি গতি সম্পন্ন হয়েও শিকার হওয়ার প্রয়োজন নেই।



আপনি যখন আপমার সামনের লক্ষ্যকে ঠিক রাখে অন্য দিকে দৃষ্টিপাত না দিয়ে আগায়তে থাকবেন তখন আপনার লক্ষ্যটায় একমাত্র আপনার ফোকাস হবে তখন আপনি সহজেই আপনার লক্ষ্য জয় করতে পারবেন।



মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পরিশ্রমই সৌভাগ্যের প্রসূতি নয়।  ********************************************************************************* কি চিন্তা করছেন, পৃথিবীর বিক্ষাত মানুষগুলোর দিন ৪৮ ঘন্টা বা তার একটু কম ছিল। না আপনাদের মতো তাদেরও দিনে সময় ২৪ ঘণ্টাই ছিল। তাহলে তারা আপনার সমান সময় ব্যয় করে বিক্ষাত হলো কি করে। তার কারন হচ্ছে তাদের ইউনিক চিন্তা, পরিশ্রম এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া। শুধু পরিশ্রম করলেই কেউ বিক্ষাত হয় না। যদি তাই হতো তাহলে মাটি কাটা শ্রমিক এবং ইটের ভাটাই কাজ করা মানুষ গুলোই পৃথিবীর বিক্ষাত এবং সাক্সেসফুল মানুষ হতো। যদি বলেন ভাগ্যে নেই। তাহলে আপনার থেকে বোকা মানুষ আর দ্বিতীয়টি নেই। কারন ভাগ্য আপনার ডিসিশন নিয়ে দেবে না। বা আপনার কাজ করে দিবে না। আপনার কাজ আপনাকেই করতে হবে। আপনি একটা ডিসিশন নিলেন কিন্তু দেখলেন আপনি সাক্সেস হয়তে পারছেন না তাই ঐই কাজটা বাদ দিয়ে দিলেন। তাহলে আপনি কোনো দিনই সাক্সেস হয়তে পারবেন না। লাইফে ঝুকি নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে আপনাকে ঝুকি নিতেই হবে। পৃতিবীর সব কিছু করেই কেউ না কেউ বিক্ষাত হয়ছে। আপনি ইউনিক কি করতে পারেন সেইটা খুজে বের করে ডিসিশন নিন। ভাবছেন পৃথিবী...
বেঁচে থাকার জন্যই খুনি হয়ে জন্ম নিলাম।  আর শারীরিক মৃত্যুর সাথে সাথে যদি নিজের মৃত্যুই হয়ে যায় তাহলে এ জন্মের সার্থকতা কোথায়???
আপনি কি সুযোগের অভাবে চরিত্রবান..???? ********************************************************************************************* https://www.facebook.com/ronirchirkut/ আমার একটা বন্ধু স্কুলে আসতো তার মায়ের সাথে | স্কুলের সময় স্কুল থেকে কোনো ভাবেই বাইরে যাওয়া যায়তো না। এবং স্কুল ছুটির আগেই ওর মা স্কুলের গেটে এসে বসে থাকতো। তাই ক্লাস শেষ হয়লে তাকে বাসায় ফিরতে হতো। সে অনেক ভদ্র এবং শান্ত ছিল। তার পর সে স্কুল থেকে যখন কলেজে ভর্তি হয় তখন তার মা ভাবলো তার ছেলে তো অনেক শান্ত এবং সৎ। তাই আর তাকে নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। সে কোনো খারাপ কাজ করবে না। তাই তার মা তাকে কলেজে একা পাঠালো।  তার পারিবারিক অবস্থা ভাল হওয়ায় তাকে যথেষ্ট পরিমান হাত খরচ দেওয়া হতো কিন্তু তার ছেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই ইয়াবা আসক্ত হয়ে গেল। তার মানে ছেলেটা আগে ভাল ছিল এখন খারাপ হয়ে গেছে, না তা অবশ্যই না। আমার অনেক বন্ধু ছিল যারা স্কুল জীবন থেকেই ঐই অবস্থায় ছিল। তার মানে তারা সেই সময়ই তাদের সুযোগটা পেয়েছে। আবার অনেক বন্ধু আছে যারা স্কুল কলেজ ভার্সিটি পার করে দিছে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা নিয়ে এবং তা...