সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

"অনুকরন নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুজুন, নিজেকে চিনুন, নিজের পথে চলুন"।



কাউকে অনুকরন করলেই আপনি তার মতো হয়ে যাবেন এইটা সম্পূর্ণ ভুল ধারনা। যদি তাই ই হতো তাহলে পৃথিবীতে আইনস্টাইন একজন না, হাজার হাজার থাকতো। মার্ক জুকারবার্গ চাইলেই নিউটন হতে পারতো না। বা বিলগেটস ইচ্ছা করলেই আবরাহাম লিংকন হতে পারতো না। ইষ্টিব জবস কিন্তু মায়ের ইচ্ছা থাকা সত্যেও ভার্সিটি শেষ করতে পারে নি। আপনিও স্কুল পালাইলেই বরীন্দ্রনাথ হয়তে পারবেন না। যদি মনে করেন আপনি ইচ্ছা করলেই, উপরের ব্যক্তিদের অনুকরণ বা অনুসরণ করলেই আপনি তাদের অবস্থানে চলে যাবেন তাহলে এইটা আপনার ভুল ধারনা।
উপরের ব্যক্তি গুলো থেকে তো তাহলে কিছুই শেখার নেই। না, আছে। অনেক কিছু শেখার আছে। অনুকরণ, অনুসরণ বাদ দিয়ে যা শিখা যায় শিখুন। কিছুই পাচ্ছেন না।
এখনে উল্লেখিত সবই পৃথিবীর Best success & Brand এর নাম। যারা সবাই ছিলেন স্বাধীন মুক্ত চিন্তার অধিকারী। তারা নিজে যা ভাবতেন তাই করতেন। সিদ্ধান্ত নিতেন নিজের থেকে। অন্যকে কি ভাববে বা কি বলবে তা কখনো ভাববেন না।
এমন সিদ্ধান্ত আজকে নিয়েন না যা আপনাকে ১০ বছর পর ভাবাবে। আজকে ভেবে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিন। মানুষের কথাভেবে কাজ নাই। কারন আপনার কাজে সবাই খুশি হবে এমন তো কোনো কথা নেই। কারন সবাই তো আপনার মতো মুক্ত চিন্তার অধিকারী না।


তাই বলছি
"অনুকরন নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুজুন, নিজেকে চিনুন, নিজের পথে চলুন"

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পরিশ্রমই সৌভাগ্যের প্রসূতি নয়।  ********************************************************************************* কি চিন্তা করছেন, পৃথিবীর বিক্ষাত মানুষগুলোর দিন ৪৮ ঘন্টা বা তার একটু কম ছিল। না আপনাদের মতো তাদেরও দিনে সময় ২৪ ঘণ্টাই ছিল। তাহলে তারা আপনার সমান সময় ব্যয় করে বিক্ষাত হলো কি করে। তার কারন হচ্ছে তাদের ইউনিক চিন্তা, পরিশ্রম এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া। শুধু পরিশ্রম করলেই কেউ বিক্ষাত হয় না। যদি তাই হতো তাহলে মাটি কাটা শ্রমিক এবং ইটের ভাটাই কাজ করা মানুষ গুলোই পৃথিবীর বিক্ষাত এবং সাক্সেসফুল মানুষ হতো। যদি বলেন ভাগ্যে নেই। তাহলে আপনার থেকে বোকা মানুষ আর দ্বিতীয়টি নেই। কারন ভাগ্য আপনার ডিসিশন নিয়ে দেবে না। বা আপনার কাজ করে দিবে না। আপনার কাজ আপনাকেই করতে হবে। আপনি একটা ডিসিশন নিলেন কিন্তু দেখলেন আপনি সাক্সেস হয়তে পারছেন না তাই ঐই কাজটা বাদ দিয়ে দিলেন। তাহলে আপনি কোনো দিনই সাক্সেস হয়তে পারবেন না। লাইফে ঝুকি নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে আপনাকে ঝুকি নিতেই হবে। পৃতিবীর সব কিছু করেই কেউ না কেউ বিক্ষাত হয়ছে। আপনি ইউনিক কি করতে পারেন সেইটা খুজে বের করে ডিসিশন নিন। ভাবছেন পৃথিবী...
বেঁচে থাকার জন্যই খুনি হয়ে জন্ম নিলাম।  আর শারীরিক মৃত্যুর সাথে সাথে যদি নিজের মৃত্যুই হয়ে যায় তাহলে এ জন্মের সার্থকতা কোথায়???
ফোকাস/ লক্ষ্য ************************ https://www.facebook.com/ronirchirkut/ আমরা সবাই জানি একটা সিংহের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৮০ কিলো/ঘন্টা। আর একটা হরিণের ৮৫ কিলো/ঘণ্টা। এখানে প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে সিংহ হরিণ শিকার করে কিভাবে। সিংহ কিন্তু সব সময়ই দূর থেকে লক্ষ্য স্থির করে তারপর আক্রমণ করে। একটা হরিণ যদি ১০ মিটার দূরে থাকা অবস্থায়ও সিংহের অবস্থান টের পায় তাহলে কিন্তু সিংহের হাত থেকে হরিণের বেচে যাওয়ার কথা। কিন্তু প্রায় সব ক্ষেত্রেই হরিণ সিংহের শিকার হয়। কারন কি জানেন, কারন হরিণ দ্রৌড় শুরু করার পর একটু পর পর পিছনে সিংহের  অবস্থান দেখার জন্য পিছনে তাকায়। এতে তার নিজের গতিই কমে যায়। কিন্তু সিংহ লক্ষ্য স্থির রেখে সামনে দিকে আগায়তে থাকে। তাই সিংহের গতির হ্রাস হয় না। এভাবেই কিন্তু সিংহ কম গতি সম্পন্ন হয়েও বেশি গতির হরিণকে শিকার করে। আপনার ক্ষেত্রেও কিন্তু ঠিক তাই, আপনিও যদি আপনার চলার পথে অন্য কারো  অবস্থান দেখতে পিছনে তাকান তাহলে কিন্তু আপনার গতিবেগ কমে যাবে এবং আপনার পিছনের মানুষ গুলো আপনাকে টপকে যাবে। আমার একটা স্যার বলতো, আপনি যদি কোনো প্রতিযোগিতা জিততে চান তাহলে...