সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
আপনি কেন ভাল ছাত্র বা ছাত্রী না কিন্তু আপনার বন্ধু ভাল
********************************************************************************************************************








আপনি কি জানেন ক্লাসের কেউ ভাল ছাত্র থাকে না। আপনারা তাকে ভাল বানায়ে দেন। কি মাথা ঘুরছে নাকি আমাকে পাগল মনে হচ্ছে। রাগ করা বা পাগল বলার আগে পুরোটা পড়ুন।
আপনার ক্লাসের Assignment বা Homework গুলো কতো দিন আপনি নিজে করেছেন। খুব কম। আপনার যদি কোনো বন্ধু থাকতো তাহলে তাকে বললেই সে আপনার Assignment করে দিত এতে আপনার কষ্ট করা লাগতো না। হয়তো তাকে নাস্তা করায়ে দিতেন সে হাপ্পি আপনিও কারন আপনার কাজটা হয়ে গেছে। ওকে আপনার এই কাজ করে আপনার কি বিন্দু মাত্র লাভ হয়ছে, মনে হয় না। তবে আপনার যে বন্ধু আপনার Assignment করে দিল তার কিন্তু অনেক অনেক লাভ হয়ছে। কিভাবে?? চায়নার একজন বিক্ষাত ব্যক্তি ব্রুসলি একটা কথা বলতেন "যে হাজারটা কিক একবার করে প্রাকটিস করে আমি তাকে নয় যে একটা কিক হাজার উপায়ে প্রাকটিস করে আমি তাকে ভয় পায়"। কি বুঝলেন। আপনি যখন কিছুই করলেন না তার মানে আপনি ওই বিষয়টা বুঝলেও প্রাকটিস করলেন না কিন্তু আপমার বন্ধু কম বুঝলেও সে তার নিজেরটা এবং আপনার টা করাতে প্রাকটিস হয়ে সে আপনার থেকে ভাল হয়ে গেছে।
আমরা কিন্তু তাদের বলদ বলি কারন তাদের দিয়ে পরিশ্রম করায়ে নেন। কিন্তু ও পরিশ্রম করে বুঝে বা না বুঝে ওর নিজের জন্য আপনার জন্য নয়।।
আবার হোম ওয়ার্ক করার সময় first boy or girl তো আছেই। ও করলে আমরা কপি করে নিবো। হ্যা সে ঠিকই কষ্ট করে করবে আর আপনারা কপি করে নিয়ে ওই চেপ্টার বন্ধ করে দিবেন। শুধু একটা কথা মনে রাখুন লোহা কম মসৃণ হলেও নিয়মিত ব্যবহারে তা মসৃণ চকচকে হয়ে যায়। আবার মসৃন ইস্পাত ও অনেক দিন রেখে দিলে তা মরিচা পড়া অমসৃণ হয়ে যায়। আপনার ব্রেন কে এই বার লোহার সাথে তুলনা করে নিজে বুঝে নিন।।
তাই নিজের সম্পদ কে নষ্ট না সঠিক ব্যবহার করুন জীবনে অনেক উন্নতি করতেপারবেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পরিশ্রমই সৌভাগ্যের প্রসূতি নয়।  ********************************************************************************* কি চিন্তা করছেন, পৃথিবীর বিক্ষাত মানুষগুলোর দিন ৪৮ ঘন্টা বা তার একটু কম ছিল। না আপনাদের মতো তাদেরও দিনে সময় ২৪ ঘণ্টাই ছিল। তাহলে তারা আপনার সমান সময় ব্যয় করে বিক্ষাত হলো কি করে। তার কারন হচ্ছে তাদের ইউনিক চিন্তা, পরিশ্রম এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া। শুধু পরিশ্রম করলেই কেউ বিক্ষাত হয় না। যদি তাই হতো তাহলে মাটি কাটা শ্রমিক এবং ইটের ভাটাই কাজ করা মানুষ গুলোই পৃথিবীর বিক্ষাত এবং সাক্সেসফুল মানুষ হতো। যদি বলেন ভাগ্যে নেই। তাহলে আপনার থেকে বোকা মানুষ আর দ্বিতীয়টি নেই। কারন ভাগ্য আপনার ডিসিশন নিয়ে দেবে না। বা আপনার কাজ করে দিবে না। আপনার কাজ আপনাকেই করতে হবে। আপনি একটা ডিসিশন নিলেন কিন্তু দেখলেন আপনি সাক্সেস হয়তে পারছেন না তাই ঐই কাজটা বাদ দিয়ে দিলেন। তাহলে আপনি কোনো দিনই সাক্সেস হয়তে পারবেন না। লাইফে ঝুকি নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে আপনাকে ঝুকি নিতেই হবে। পৃতিবীর সব কিছু করেই কেউ না কেউ বিক্ষাত হয়ছে। আপনি ইউনিক কি করতে পারেন সেইটা খুজে বের করে ডিসিশন নিন। ভাবছেন পৃথিবী...
বেঁচে থাকার জন্যই খুনি হয়ে জন্ম নিলাম।  আর শারীরিক মৃত্যুর সাথে সাথে যদি নিজের মৃত্যুই হয়ে যায় তাহলে এ জন্মের সার্থকতা কোথায়???
ফোকাস/ লক্ষ্য ************************ https://www.facebook.com/ronirchirkut/ আমরা সবাই জানি একটা সিংহের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৮০ কিলো/ঘন্টা। আর একটা হরিণের ৮৫ কিলো/ঘণ্টা। এখানে প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে সিংহ হরিণ শিকার করে কিভাবে। সিংহ কিন্তু সব সময়ই দূর থেকে লক্ষ্য স্থির করে তারপর আক্রমণ করে। একটা হরিণ যদি ১০ মিটার দূরে থাকা অবস্থায়ও সিংহের অবস্থান টের পায় তাহলে কিন্তু সিংহের হাত থেকে হরিণের বেচে যাওয়ার কথা। কিন্তু প্রায় সব ক্ষেত্রেই হরিণ সিংহের শিকার হয়। কারন কি জানেন, কারন হরিণ দ্রৌড় শুরু করার পর একটু পর পর পিছনে সিংহের  অবস্থান দেখার জন্য পিছনে তাকায়। এতে তার নিজের গতিই কমে যায়। কিন্তু সিংহ লক্ষ্য স্থির রেখে সামনে দিকে আগায়তে থাকে। তাই সিংহের গতির হ্রাস হয় না। এভাবেই কিন্তু সিংহ কম গতি সম্পন্ন হয়েও বেশি গতির হরিণকে শিকার করে। আপনার ক্ষেত্রেও কিন্তু ঠিক তাই, আপনিও যদি আপনার চলার পথে অন্য কারো  অবস্থান দেখতে পিছনে তাকান তাহলে কিন্তু আপনার গতিবেগ কমে যাবে এবং আপনার পিছনের মানুষ গুলো আপনাকে টপকে যাবে। আমার একটা স্যার বলতো, আপনি যদি কোনো প্রতিযোগিতা জিততে চান তাহলে...