সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
মানুষ মাত্রই ভুল
*********************




আমরা এমনই জাতি যে " কেউ যদি ১০০০ পেজ এর একটি বই লেখে তাহলে আমরা খুজা শুরু করি যদি ১০-১৫ টা ভুল পায় তাহলে বই লেখকের বিপক্ষে বলা শুরু করি। ঐই বই তো ভুলে ভরা । আর লেখক তো রামছাগলের মতো এই সামান্য ভুল গুলোও করে প্রমান করেই দিয়েছে সে কিচ্ছু জানে না। আসলেই কি আমরা ঠিক?? না। কারন কেউ যখন ১০০০ পৃষ্ঠা বই লেখে তখন ৯৯৯ পৃষ্ঠা সে সঠিক লিখেছে। হয়তো ১০-১৫ বা ৯০-১০০ টা ভুল করেছে মানে পুরো বই এর একটা পেজ ভুল তাই বলে কি বাকি বইটা তার সঠিক না। আর এই ৯৯৯ পেজ সঠিক লেখা মানুষ গুলো সত্যিই অনেক গুনের অধিকারী। যা আপমার আমার ভিতরে না। যদি থাকতো তাহলে অন্যদের দিকে আঙ্গুল তুলার আগে ভাবতাম আমি পৃথিবীতে কি করেছি। যদি কিছু না করে থাকি তাহলে লেখকের ১০০০ পেজের বইয়ের ৯৯৯ পেজও যদি ভুল থাকে তবুও আমরা তার বিপক্ষে কথা বলার যোগ্য নয়।



মানুষ মাত্রই ভুল। তাই অন্যের ভুল না খুজে ভালটা খুজে গ্রহন করুন। ভুল থাকলে সমালোচনা বাদদিয়ে সমাধানের চেষ্টা করুন আর যদি তা না পারেন চুপ থাকুন তবুও এমন কিছু বলবেন না যা শুনে নতুন কিছু করতে চাওয়া মানুষ গুলো কষ্ট পায়। সেই কাজ গুলো করা বাদ দিয়ে দেয়। তাহলে কিন্তু সব থেকে বেশি ক্ষতি আপনারই হবে কারন আপনি তো কিছুই করতে পারেন না।



"একটু মানুষ হওয়ার চেষ্টা করুন।।।
হয়তো ঠকবেন না।।।।"





https://www.facebook.com/real.don.96742


https://www.facebook.com/ronirchirkut/



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পরিশ্রমই সৌভাগ্যের প্রসূতি নয়।  ********************************************************************************* কি চিন্তা করছেন, পৃথিবীর বিক্ষাত মানুষগুলোর দিন ৪৮ ঘন্টা বা তার একটু কম ছিল। না আপনাদের মতো তাদেরও দিনে সময় ২৪ ঘণ্টাই ছিল। তাহলে তারা আপনার সমান সময় ব্যয় করে বিক্ষাত হলো কি করে। তার কারন হচ্ছে তাদের ইউনিক চিন্তা, পরিশ্রম এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া। শুধু পরিশ্রম করলেই কেউ বিক্ষাত হয় না। যদি তাই হতো তাহলে মাটি কাটা শ্রমিক এবং ইটের ভাটাই কাজ করা মানুষ গুলোই পৃথিবীর বিক্ষাত এবং সাক্সেসফুল মানুষ হতো। যদি বলেন ভাগ্যে নেই। তাহলে আপনার থেকে বোকা মানুষ আর দ্বিতীয়টি নেই। কারন ভাগ্য আপনার ডিসিশন নিয়ে দেবে না। বা আপনার কাজ করে দিবে না। আপনার কাজ আপনাকেই করতে হবে। আপনি একটা ডিসিশন নিলেন কিন্তু দেখলেন আপনি সাক্সেস হয়তে পারছেন না তাই ঐই কাজটা বাদ দিয়ে দিলেন। তাহলে আপনি কোনো দিনই সাক্সেস হয়তে পারবেন না। লাইফে ঝুকি নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে আপনাকে ঝুকি নিতেই হবে। পৃতিবীর সব কিছু করেই কেউ না কেউ বিক্ষাত হয়ছে। আপনি ইউনিক কি করতে পারেন সেইটা খুজে বের করে ডিসিশন নিন। ভাবছেন পৃথিবী...
বেঁচে থাকার জন্যই খুনি হয়ে জন্ম নিলাম।  আর শারীরিক মৃত্যুর সাথে সাথে যদি নিজের মৃত্যুই হয়ে যায় তাহলে এ জন্মের সার্থকতা কোথায়???
ফোকাস/ লক্ষ্য ************************ https://www.facebook.com/ronirchirkut/ আমরা সবাই জানি একটা সিংহের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৮০ কিলো/ঘন্টা। আর একটা হরিণের ৮৫ কিলো/ঘণ্টা। এখানে প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে সিংহ হরিণ শিকার করে কিভাবে। সিংহ কিন্তু সব সময়ই দূর থেকে লক্ষ্য স্থির করে তারপর আক্রমণ করে। একটা হরিণ যদি ১০ মিটার দূরে থাকা অবস্থায়ও সিংহের অবস্থান টের পায় তাহলে কিন্তু সিংহের হাত থেকে হরিণের বেচে যাওয়ার কথা। কিন্তু প্রায় সব ক্ষেত্রেই হরিণ সিংহের শিকার হয়। কারন কি জানেন, কারন হরিণ দ্রৌড় শুরু করার পর একটু পর পর পিছনে সিংহের  অবস্থান দেখার জন্য পিছনে তাকায়। এতে তার নিজের গতিই কমে যায়। কিন্তু সিংহ লক্ষ্য স্থির রেখে সামনে দিকে আগায়তে থাকে। তাই সিংহের গতির হ্রাস হয় না। এভাবেই কিন্তু সিংহ কম গতি সম্পন্ন হয়েও বেশি গতির হরিণকে শিকার করে। আপনার ক্ষেত্রেও কিন্তু ঠিক তাই, আপনিও যদি আপনার চলার পথে অন্য কারো  অবস্থান দেখতে পিছনে তাকান তাহলে কিন্তু আপনার গতিবেগ কমে যাবে এবং আপনার পিছনের মানুষ গুলো আপনাকে টপকে যাবে। আমার একটা স্যার বলতো, আপনি যদি কোনো প্রতিযোগিতা জিততে চান তাহলে...